ঈশ্বরদীতে স্কুল কৃষি কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন : কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ

0
208
ঈশ্বরদীতে স্কুল কৃষি কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন : কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ

সেলিম আহমেদ, ঈশ্বরদী থেকে : বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটির আয়োজনে ঈশ্বরদী শহরের অরণকোলায় আবুল হাসেমের মওলা কৃষি খামারে ৮৪টি স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ২৭ জুলাই শুক্রবার সকালে স্কুল কৃষি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জাংলায় ছোট জাতের তরমুজ বীজ রোপন উদ্বোধন হয়েছে।

তরমুজ বীজ রোপন করেন এম এ গফুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। উক্ত স্কুল কৃষি কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল লতিফ।

বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ আবুল হাসেমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোস্তফা হাসান ইমাম, বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক সিদ্দিকুর রহমান ময়েজ, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক জাহিদুল ইসলাম গাজর জাহিদ, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক আলহাজ্ব রবিউল ইসলাম, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা এখলাছুর রহমান ও উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা সুজন কুমার রায়, সফল মৎস্য চাষি আবু তালেব জোয়াদ্দার, কৃষি শিক্ষক আফরোজা বানু ও রেজাউল করিম। স্কুল কৃষির আয়োজন করেন বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটির সাধারন সম্পাদক আব্দুল জলিল কিতাব মন্ডল।

বক্তারা বলেন, এদেশের কৃষকেরা আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করার কারণে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে কৃষি পণ্য রপ্তানী করছেন। কৃষি কাজ করে কৃষকের কোন লাভ না হলেও বর্তমানে বিদেশ থেকে কৃষি পণ্য আমদানী করতে হচ্ছেনা। আমরা কৃষকের ছেলে ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে কৃষক মাঠে হাল লাঙ্গল নিয়ে কাজে বেড়িয়ে যায়। কৃষক শুধু তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন নয়, দেশের খাদ্য ঘাটতি পূরণে সব সময় কাজ করে থাকেন। কঠোর পরিশ্রম করে বেকারত্বকে দু-হাতে পিছে ঠেলে দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের দেশের কৃষক।

বক্তারা আরও বলেন, কৃষি কাজ করতে রাসায়নিক সার ও কীটনাষকের প্রয়োজন হয়। দেশি বিদেশি কীটনাষক কোম্পানীগুলো সরকারি নীতিমালা অমান্য করে চড়া মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করে আসছেন। ১৩’শ টাকা মূল্য লেখা কীটনাষক কৃষক ভেদে ৪’শ, ৬’শ এমনকি ৭’শ ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সরকারের বেঁধে দেওয়া সারের মূল্যের চেয়ে কৃষকদের থেকে অনেক বেশি টাকা নিচ্ছেন ব্যবসায়িরা। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথম স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্কুল কৃষি নামের কার্যক্রমের উদ্বোধন হলো। এই শিক্ষার্থীরাই একদিন দেশ পরিচালনা করবে। শিক্ষিত কৃষক হলে দেশ আরও একধাপ এগিয়ে যাবে। এই প্রত্যয় নিয়ে স্কুল কৃষি কার্যক্রম চালু করা হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য লিখুন............