কারেন্টহাট ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও শ্লীলতাহানীর অভিযোগ

কারেন্টহাট ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও শ্লীলতাহানীর অভিযোগ

চিরিরবন্দর থেকে, তপন চন্দ্র রায় : দিনাজপুরের চিরিরবন্দর কারেন্টহাট ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জালাল উদ্দিন মজুমদারের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও শ্লীলতাহানীর অভিযোগে ওই কলেজের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম রব্বানীর নিকট আলাদা আলাদা অভিযোগপত্র দাখিল করেছে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ ও আয়া মোছাঃ শাহানাজ পারভীন।

তবে অভিযোগপত্র দাখিলের দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারী শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ ও ভুক্তভোগী শাহনাজ পারভীন অভিযোগপত্র মতে ও সরেজমিন গিয়ে অধ্যক্ষ জালাল উদ্দিন মজুমদারের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের সত্যতা পাওয়া গেছে।

অভিযোগকারী শিক্ষক মোঃ জুলফিকার আলী জানান, গত বছর ৫ জন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে কলেজ ফান্ডের নামে তাদের কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ হাতিয়ে নিয়ে সেই টাকা কলেজ ফান্ডে জমা না করে দিনাজপুর শহরে ৪ তলা বিশিষ্ট বাড়ি নির্মান করেছেন। উক্ত টাকা কলেজ কৃর্তপক্ষের নজর এড়াতে চাতুরতা অবলম্বন করে কোন আর্থিক লেনদেন করেন নাই মর্মে সুকৌশলে ওই ১০ জন শিক্ষক কর্মচারীর কাছ থেকে সাদা কাগজে মুচলেকা নিয়েছেন।

আয়া শাহনাজ পারভীন জানান, অধ্যক্ষ জালাল উদ্দীন মজুমদার তাকে দীর্ঘদিন ধরে কারণে অকারণে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে সময় অসময়ে ও বন্ধের দিনে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে নানারকম খোশগল্পসহ অশালীন কথা বলেন। একপর্যায় গত বছরের অক্টোবরের কোন এক শুক্রবার তিনি তাকে কক্ষে ডেকে নিয়ে একাকি পেয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ জালাল উদ্দিন মজুমদার এর সাথে কথা হলে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষকরা ঠিকমত কলেজে উপস্থিত না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় তারা আমাকে চক্রান্তে ফেলে তারা ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে।

এ ব্যাপারে কলেজের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম রাব্বনী জানান, বিষয়টা আমি জেনেছি শীঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন............