দশমিনার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন বিকল

দশমিনার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন বিকল

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন বিগত বছর থেকে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে হাসপাতালে আসা হতদরিদ্র রোগীরা এক্স-রে মেশিন বিকল থাকায় প্রকৃত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বাধ্য হয়ে তারা অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে গিয়ে এক্স-রে করতে হচ্ছে। প্রাইভেট ক্লিনিকগুলো আর্থিকভাবে লাভবান হলেও আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থের শিকার হচ্ছে সাধারণ রোগীরা।

গত রোববার ও গতকাল সোমবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এক্স-রে রুম তালা বদ্ধ হয়ে আছে। অনেক চিকিৎসক রোগীদের জানিয়ে দিচ্ছেন হাসপাতালের এক্স-রে মেশিনটি কয়েক বছর ধরে নষ্ট হয়ে রয়েছে। এক্স-রে করতে হলে বাইরে প্রাইভেট ক্লিনিক থেকে করে আনতে হবে। মোঃ জামাল নামে এক দিন মজুর কাজ করতে গিয়ে হাতে আর মাথার ঘাড়ে আঘাত পায়।

গত রবিবার চরবোরহান ইউনিয়ন এলাকা থেকে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে এসেছে হাসপাতালে। চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্রে এক্স-রে করার জন্য লেখে দিলে সে বাধ্য হয়ে প্রাইভেট ক্লিনিক থেকে এক্স-রে করে নিয়ে আসে। হাসপাতালের এক্স-রে বিকল হওয়ায় প্রাইভেট ক্লিনিকগুলো লাভবান হচ্ছে। রোগীরা হাসপাতাল থেকে অল্প টাকায় এক্স-রে করতে পারলেও প্রাইভেট ক্লিনিকগুলো দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ টাকা নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিদিন ৩০-৩৫ জন রোগী এক্স-রের সেবা পেতো। পাশাপাশি হাসপাতাল আর্থিকভাবে লাভবান হতো। এক্স-রে বিকলের ফলে রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রোগীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তের শিকার হচ্ছে।

এই বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ গোলাম মস্তফা এ প্রতিনিধিকে বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। পুরোনো এক্স-রে মেশিনটি মেরামতের করা হবে আর যত তারাতারি সম্ভব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য নতুন এক্স-রে মেশিনের জন্য উপর মহলে তদারোকি চলছে। বর্তমানে রোগীরা এক্স-রের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে তিনি তা স্বীকার করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য লিখুন............