দোয়ারাবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান খুন : ঘাতক আটক

দোয়ারাবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান খুন : ঘাতক আটক

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান তরুণ ব্যবসায়ী বিকাশ এজেন্ট আলাউর রহমান রনি (২৫)। তিনি উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের রগারপাড় গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা রইছ আলীর পুত্র। পাশাপাশি তিনি স্থানীয় নরসিংপুর বাজারস্থ জিয়া টেলিকম ও গিফট সেন্টারের স্বত্তাধিকারীও বটে। ঘটনার সময় নিরাপত্তার স্বার্থে নিহতের একই গ্রামের নুরুল হকের পুত্র ঘাতক ছালেহ আহমদ (৩১)সহ তার পরিবারের সদস্যদের ঘরের ভেতর জিম্মি করে আটকে রাখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানার পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উত্তেজিত জনতার তীব্র প্রতিবাদের মুখে তাদের কবল থেকে ঘাতক ছালেহ আহমদ ও তার ভাই ছৈয়দ আহমদকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে স্থানীয় লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট স্কুলের সামনে ও্ই স্কুলের জনৈক শিক্ষিকাকে উত্যক্ত করা ও তার পাঠদানের বিষয় নিয়ে আলাউর রহমান রনি ও ছালেহ আহমদের মধ্যে বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে ঘাতক ছালেহ আহমদ ধারালো ছুরি (চাকু) দিয়ে রনির পেটে উপর্যুপরি আঘাত করলে সে ভূমিতে লুটিয়ে পড়ে। আঘাতের ফলে তার নাড়িভুড়ি বেরিয়ে আসে। তখন গুরুতর অবস্থায় তাকে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

দোয়ারাবাজার থানার ওসি সুশীল রঞ্জন দাস খুনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা ঘটনাস্থল থেকে উত্তেজিত জনতার রোষানল থেকে ঘাতক ছালেহ আহমদকে গ্রেফতার করে তার ভাই ছৈয়দ আহমদকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলেছে বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, ১৫ দিনের ব্যবধানে দোয়ারাবাজারে দুই তরুণ ব্যবসায়ী হত্যাকান্ডের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এর আগে গত ৯ নভেম্বর পাশাপাশি বাংলাবাজার ইউনিয়নের কলাউরা (মার্কেট) বাজারের তরুণ ব্যবসায়ী বিকাশ এজেন্ট তৌহিদুল ইসলাম দূর্বৃত্তের হাতে খুন হন। উভয় হত্যাকান্ডের প্রধান ঘাতকদ্বয়ই আটক হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন............