নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে শামীম ওসমানই হবেন নৌকার মাঝি : আলাউদ্দিন হাওলাদার

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে শামীম ওসমানই হবেন নৌকার মাঝি : আলাউদ্দিন হাওলাদার
বামে একেএম শামীম ওসমান, ডানে আলাউদ্দিন হাওলাদার।

নিজস্ব সংবাদদাতা : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য, প্যানেল চেয়ারম্যান ও ২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন হাওলাদার দলের পক্ষে বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ-৪ নির্বাচনী এলাকার সফল সংসদ সদস্য নন্দিত জননেতা আলহাজ্ব এ.কে এম. শামীম ওসমানের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চুলচেরা বিশ্লেষণ করে একান্ত সাক্ষাৎকারে এ প্রতিবেদককে তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশের সৈনিক।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করে রাজনীতি করে আসছি। কোনো শক্তিই আমাকে তার আর্দশ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। ভবিষ্যতেও কেউ পারবে না ইনশাল্লাহ্। আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক হয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মাটি ও মানুষের নেতা সফল সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ.কে.এম. শামীম ওসমানের নেতৃত্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

বর্তমান সরকারের আমলে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কতটুকু সাফল্য অর্জিত হয়েছে আর ব্যর্থতাই বা কতটুকু তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের কোনো ব্যর্থতা নেই। সর্বক্ষেত্রেই সরকারের সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর যে সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন ছিল তা বাস্তবায়নে তার যোগ্য উত্তরসূরী মাদার অব হিউমেনিটি জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশ হবে একটি সুখী সমৃদ্ধিশালী দেশ। তার সেই স্বপ্ন পূরণে পাশাপাশি দেশ আজ পরিণত হয়েছে নিম্ন আয়ের দেশ থেকে স্বল্পোন্নত দেশে । এ সব কিছুই সম্ভব হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল কর্মকান্ডে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নন্দিত জননেতা বর্তমান সফল সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ.কে.এম. শামীম ওসমানই হবেন নৌকার মাঝি। ১৯৯৬ সালে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে তার মাধ্যমেই ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছিল। ১৯৯৬ সালের পর ২০১৪ সালে তিনি এমপি নির্বাচিত হয়ে জনগনের কল্যানে কাজ করার পাশাপাশি এলাকার ৩ গুন উন্নয়ন কাজ তিনি করেছেন। পাশাপাশি ডিএনডির অভন্ত্যরে জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে চার এমপি ও দুই মেয়র যা পারেননি তিনি সাড়ে পাঁচশত কোটি টাকার প্রকল্প এনে কাজ শুরু করে দিয়েছেন এর ফলে ডিএনডিবাসির দূর্ভোগ লাঘব হবে তার এই উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের কারণে আগামী সংসদ নির্বাচনেও এলাকার শান্তিকামী মানুষ তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে ইনশাল্লাহ্। আমার পক্ষ থেকে তার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

তিনি আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের অভিভাবক জননেত্রী শেখ হাসিনার স্নেহভাজন আমাদের আশা আকাঙ্খার প্রতীক আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা আলহাজ্ব এ.কে.এম. শামীম ওসমানকেই আমরা আগামীতেও এমপি হিসেবে দেখতে চাই। রাষ্ট্র পরিচালনায় জননেত্রী শেখ হাসিনার যেমন বিকল্প নেই। ঠিক তেমনিভাবে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনেও জননেতা এ.কে.এম. শামীম ওসমানের বিকল্প নেই। শামীম ওসমানের বিকল্প একমাত্র শামীম ওসমানই। আগামী নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এমপি হিসেবে এ.কে.এম শামীম ওসমানকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে এ আসন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিব ইনশাআল্লাহ।

এদেশের শান্তি-কামী মানুষ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, জ্বালাও-পোড়াওয়ের এর রাজনীতি পছন্দ করে না। এদেশের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে চায়। আর সেটার নিশ্চয়তা দিতে পারে একমাত্র জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার। এই সরকারের কাছেই বাংলার মানুষ আজ সবচেয়ে নিরাপদ।আওয়ামীলীগ যতবারই ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই এদেশের মানুষের জীবন-যাত্রার মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি দেশের সর্বক্ষেত্রে অভাবনীয়-উন্নয়ণ সাধিত হয়েছে। বাংলার মানুষ এখন আর না খেয়ে থাকে না। তারা সুখ-স্বাচ্ছন্দে চলতে পারে।

তাই আমাদের প্রয়োজনেই আগামীতেও শেখ-হাসিনার সরকারকেই আবারো ক্ষমতায় আনতে হবে। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। আমার ৫নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলালীগসহ সকল নেতৃবৃন্দ জননেতা এ.কে.এম. শামীম ওসমানের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ আছি।

আপনার মন্তব্য লিখুন............