পাঁচ কিংবদন্তী বোলার যারা কখনও ‘নো’ বল করেননি

0
4
পাঁচ কিংবদন্তী বোলার যারা কখনও ‘নো’ বল করেননি

অনলাইন ডেস্ক : ক্রিকেটের ২২ গজের যখনি কোন বোলার ‘নো’ দেন তখনি এটা নিয়ে অনেকের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। ‘নো’ বলটা দেয়ার পেছনে কোন কারণ আছে কিনা। কেননা এই ধরণের ঘটনা যে ঘটেনি তাও কিন্তু নয়। পাকিস্তানি মোহাম্মদ আমিরের এক ‘নো’ বলে তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল ক্রিকেট বিশ্ব।

স্পট ফিক্সিংয়ের ওই ‘নো’ বল কাণ্ডে জড়িয়ে ৫ বছরের শাস্তি ভোগ করতে হয় আমিরকে। ওই ঘটনায় তৎকালীন অধিনায়ক সালমান বাট ও পেসার মোহাম্মদ আসিফকে শাস্তি পেতে হয়েছে। আমির ক্রিকেটে ফিরলেও বাট ও আসিফের আর ফেরা হয়নি।

‘নো’ নিয়ে অনেক জল গোলা হয়েছে। নিদহাস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ‘নো’ বলের দাবিতে মাঠ ছেড়ে উঠে যেতে চেয়েছিল বাংলাদেশ দল। অবশ্য সেই ম্যাচে মাথা ঠাণ্ডা রেখে দারুণ এক জয় এনে দেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বহুবার পরিবর্তন এনেছেন ‘নো’ বলের এই নিয়মে। বোলারদের জন্য ‘নো’ বল একটি বিভীষিকা। বেশিরভাগ সময় করে পেস বোলাররা ‘নো’ বল কাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।

কিন্তু ক্রিকেট ইতিহাসে মাত্র পাঁচ জন বোলার রয়েছেন যারা তাদের পুরো ক্যারিয়ারে ‘নো’ বল করেননি। তাদের মধ্যে চার জনপেস বোলার। বাকি একজন স্পিনার। আর ৫জনেই ক্রিকেট কিংবদন্তি। এই পাঁচ ক্রিকেটারের তিনজনই নিজ দেশের হয়ে দীর্ঘদিন অধিনায়কত্ব করেছেন সম্মানের সঙ্গে, আবার দুজন বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়কও।

সেই আর কেউ নয় পাঁচজন কিংবদন্তি ক্রিকেটার, ল্যান্স গিবস, ড্যানিস লিলি, ইমরান খান, কপিল দেব ও ইয়ান বোথাম। শুধু গিবসই একমাত্র স্পিন বোলার, বাকি সবাই পেসার। কপিল দেব ও ইমরান খান অধিনায়ক হিসেবে ভারত ও পাকিস্তানের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ী করেছেন।

স্পিনার গিবস বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক না হলেও বিশ্বকাপের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরপর দু’বার বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ক্লাইভ লয়েডের চাচাতো ভাই তিনি।

অস্ট্রেলিয়ান পেসার ডেনিস লিলি তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত ৭০টি টেস্টে ৩৫৫ উইকেট ও ৬৩টি ওয়ানডেতে নিয়েছেন ১০৩ উইকেট। ইয়ান বোথামের ক্যারিয়ারে ১০২টি টেস্টে ৫ হাজার ২০০ রানের পাশাপাশি ৩৮৩টি উইকেট নিয়েছেন। আর ১১৬টি ওয়ানডে খেলে ২ হাজার ১০৩ রানের সঙ্গে উইকেট রয়েছে ১৪৫টি।

ইমরান খান ১৯৭১ সালে টেস্ট অভিষেক ৮৮টি টেস্ট ম্যাচ খেলে তিন হাজার ৮০৭ রানের পাশাপাশি টেস্টে উইকেট রয়েছে ৩৬২টি। ১৭৫টি ওয়ানডে খেলা ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ জয়ী এই পাকিস্তানি অধিনায়কের রান সংখ্যা তিন হাজার ৭০৯। উইকেট রয়েছে ১৮২টি।

ল্যান্স গিবস ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার। তিনি একমাত্র স্পিনার যিনি কোন ‘নো’ বলে দেননি। এই অফস্পিনার ৭৯টি টেস্ট খেলে ৩০৯টি উইকেট নিয়েছেন।

ভারতের হয়ে ১৯৮৩ সালে বিশ্বকাপ জিতেন কপিল দেব। তার টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা ১৩১টি, পাঁচ হাজার ২৪৮ রানের পাশাপাশি উইকেট সংখ্যা ৪৩৪টি। আর ২২৫টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে তিন হাজার ৭৮৩ রানের পাশাপাশি উইকেট রয়েছে ২৫৩টি। তার এই ক্যারিয়ারে কোন ‘নো’ করেননি।

আপনার মন্তব্য লিখুন............