মেহেদীর রং না মুছতেই লাশ হলো নববধূ!

0
11
মেহেদীর রং না মুছতেই লাশ হলো নববধূ!

অনলাইন ডেস্ক : বিয়ের একমাস এখনও পেরোয়নি। মুছেনি হাতের মেহেদীও। স্বপ্ন ছিল স্বামীকে নিয়ে সুখের সংসারে বসবাস করবে। কিন্তু সেই আশা চুরমার করে দিয়ে বিয়ের এক মাসের মাথায় দুনিয়া ছেড়ে চলে গেলো এক নববধূ। ৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারটার দিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের ৬নং ওয়ার্ডের হান্নান মিয়ার বাড়ি থেকে নাঈমার মরদেহ উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।

নিহত নববধূর নাম নাঈমা আক্তার(২১)। সে বাগেরহাট জেলার দেলোয়ার মোল্লার মেয়ে। হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় নববধূ নাঈমা আক্তারের ঝুলন্ত লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশ নাঈমার লাশ উদ্ধার ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহত নাঈমার স্বামী শহিদুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, মাসখানেক পূর্বে বাগেরহাট জেলার দেলোয়ারের কন্যা নাঈমা আক্তারকে বিয়ে করেন খুলনা জেলার রূপসা থানার তালিমপুরের বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে শহিদুল ইসলাম। বিয়ের পর সিদ্ধিরগঞ্জের নতুন বাজার এলাকায় ছোটভাই আমিনুল ইসলামের বাসায় স্ত্রী নাঈমাকে নিয়ে বসবাস করছিল সে। বৃহস্পতিবার সকালে খাবারের জন্য আমিনুল ইসলামের স্ত্রী খাদিজা বেগম ডাক দিতে গেলে হাত, মুখ ও পা বাঁধা অবস্থায় ঘরের আড়ার সাথে নাঈমা আক্তারের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়।

তবে নাঈমার পরিবারের দাবি, তার স্বামী শহিদুল ইসলামই তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখেছে। শহিদুল খুলনা জেলার রূপসা থানা তালিমপুরের নুরুল ইসলামের ছেলে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামী শহিদুল নববধূ নাঈমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখে। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোঃ শাহীন শাহ্ পারভেজ বলেন, খবর পেয়ে নাঈমা নামে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা ময়না তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন............