শীতে ঘুরে আসুন বৈচিত্র্যের শহর রাঙামাটিতে

0
633

মোঃ শেখ শরীফ, শব্দপাতা.কম : রাঙামাটি একদিকে সবুজ পাহাড় অন্যদিকে সুবিশাল কাপ্তাই হ্রদ মিলেমিশে একাকার করেছে বৈচিত্র্যময় রাঙামাটিকে। এ জেলায় রয়েছে বহু জাতির মানুষের বসবাস। পৃথিবীর অন্য কোথাও এমন বৈচিত্র্য দেখা যায় না বললেই চলে। তাই বৈচিত্র্যের সান্নিধ্য পেতে চাইলে এ ভরা শীতের মৌসুমে ঘুরতে আসতে পারেন রাঙামাটি।

রাঙামাটিতে পর্যটকদের জন্য যা আছে:

ঝুলন্ত সেতু: পর্যটকদের বিনোদনের জন্য পর্যটন কর্পোরেশনের উদ্যোগে রাঙামাটিতে ১৯৮৫ সালে নির্মাণ করা হয়েছে ঝুলন্ত সেতু। এ সেতুটিকে ‘সিম্বল অব রাঙামাটি’ বলা হয়। সেতুটির জন্য দেশ এবং দেশের বাইরে আলাদা পরিচিতি পেয়েছে রাঙামাটি। সেতুর আশেপাশেই রয়েছে মোটেল ও কটেজ। তাই ঘুরতে আসলে থাকার জন্য কোনো ভয় নেই। নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী পছন্দমত রুম বুকিং নিতে পারেন।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর: শহরের ভেদভেদী এলাকায় গড়ে তুলেছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর। এ যাদুঘরে ঢুকলে আর বের হতে ইচ্ছে হবে না পর্যটকদের। হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করবে এ অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষদের বৈচিত্র্যের মাঝে। তাছাড়া, জাদুঘরের আশপাশের সৌন্দর্য আলাদা ভাবে পুলকিত করতে বাধ্য।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর। ছবি- মঈন উদ্দীন বাপ্পী
রাঙামাটি মিনি চিড়িয়াখানা: শহরের রাঙাপানি এলাকায় প্রকৃতির অপরূপ পরিবেশে জেলা পরিষদের অর্থায়নে গড়ে উঠেছে মিনি চিড়িয়াখানা। বানর, ভাল্লুক, অজগর, সজারু, হরিণ বনমোরগসহ অনেক প্রাণী রয়েছে এ চিড়িয়াখানায়।

বনভান্তের বৌদ্ধ মন্দির: শহরের রাজবাড়ি এলাকায় দক্ষিণ এশিয়ার বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের অন্যতম তীর্থ স্থান বনভান্তের বৌদ্ধ মন্দিরটিও ঘুরে দেখতে পারেন পর্যটকরা। বিশাল আকৃতির মূর্তি, প্রাকৃতিক পরিবেশ আপনাকে আলাদা শান্তি প্রদান করবে।

রাঙামাটি-কাপ্তাই সংযোগ সড়ক: রাঙামাটি-কাপ্তাই যোগাযোগের জন্য রাঙামাটি শহরের আসামবস্তি-রাঙাপানি সড়কের কাছে একটি বিকল্প সড়ক রয়েছে। বর্তমানে এ সড়কটি এখন পর্যটক বান্ধব সড়কে পরিণত হয়েছে। সড়কের একপাশে বিশাল পাহাড় এবং অন্যপাশে কাপ্তাই হ্রদ মিলেমিশে একাকার। মন ভাল করার জন্য এরকম পরিবেশের কোনো তুলনা হয় না।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য লিখুন............