অনলাইন ডেস্ক : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টুসহ ৩১ আসামিকে গাজীপুরের কাশিমপুরে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার বেলা তিনটার দিকে আসামিদের বহনকারী প্রিজন ভ্যান কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছায়।

বুধবার ১০ অক্টোবর সকালেই কাশিমপুর কারাগার থেকে ওই ৩১ আসামিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ১ ও ২ (ভারপ্রাপ্ত)-এর জ্যেষ্ঠ জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা বলেন, আদালত থেকে বেলা তিনটার দিকে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়। তিনি আরও বলেন, আদালতের রায়ের কপি কারাগারে এসে পৌঁছালে ফাঁসি, যাবজ্জীবনসহ দণ্ডপ্রাপ্তদের কারাবিধি মোতাবেক কয়েদি পোশাক পরানো হবে এবং ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তদের কনডেমড সেলে রাখা হবে। তিনি বলেন, এরই মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় আগে থেকেই কয়েদি পোশাকে কারাগারে আছেন। তিনি কারাগারে ফাঁসির কনডেমড সেলেই থাকেন।

সুব্রত কুমার বালা বলেন, দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে লুৎফুজ্জামান বাবর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১–এ বন্দী রয়েছেন। এ ছাড়া বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টু, হুজি নেতা আরিফ হাসান সুমন ও আবদুর রউফ, পুলিশের সাবেক আইজি আশরাফুল হুদা ও শহিদুল হক, অতিরিক্ত আইজি খোদা বকস, খালেদা জিয়ার ভাগনে লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, সিআইডির সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমীন, এএসপি আবদুর রশিদ ও মুন্সি আতিকুর রহমান, ঢাকা মহানগর বিএনপির নেতা আরিফুর রহমান আরিফ, এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২–এ বন্দী রয়েছেন। রায়ের কপি কারাগারে এলে কারাবিধি মোতাবেক তাঁদেরও কয়েদির পোশাক পরানো হবে।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার বিকাশ রায়হান বলেন, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ৩১ আসামি বন্দী। তাঁদের মধ্যে ১৭ জন হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। সকালে তাঁদের কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকায় আদালতে পাঠানো হয়। বিকেলে তাঁদের কারাগারে আনা হয়েছে।

প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর ২০১৮/ডেস্ক/তুষার অপু
আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০১৮/ডেস্ক/তুষার অপু

আপনার মন্তব্য লিখুন............

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here