কন্যাশিশুর লেখাপড়ায় বিভিন্ন সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে

‘রুম টু রিড বাংলাদেশ’ এর অনুষ্ঠানে অতিথিরা।

অনলাইন ডেস্কঃ ‘কন্যাশিশুকে প্রাণনা: দক্ষ কন্যাশক্তি’ শীর্ষক অভিজ্ঞতা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মেয়ে শিশুদের বৃহৎ পরিসরে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে এবং তাদের লেখাপড়া অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে বিভিন্ন অংশীজনের অবদান চলমান রাখতে হবে।

বেসরকারি সংস্থা ‘রুম টু রিড বাংলাদেশ’ শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে কাজ করছেন। এ বছর সংস্থাটির সহায়তা প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাসের হার ছিল প্রায় ৯৪ শতাংশ যেখানে জাতীয় পাসের হার ৬৭ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার বিকালে বাংলা একাডেমি আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে ‘রুম টু রিড বাংলাদেশ’ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সংস্থাটি ঢাকা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ এবং কক্সবাজারে বর্তমানে কাজ করছেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতের মহাপরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ শামছুল হুদার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মহিলাবিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী রওশন আক্তার, রুম টু রিড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাখী সরকার ও সংস্থাটির প্রোগ্রাম অপারেশন ডাইরেক্টর বদরুজ্জমান খান বাদল। সভায় ঢাকার ১৩টি বিদ্যালয়ের ৬৫০ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলার মেয়ে শিশুদের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।

রাখী সরকার বলেন, গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রুম টু রিড বাংলাদেশ কাজ করছে এবং এ লক্ষ্যে জেন্ডার সমতা আনয়ন এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জীবন দক্ষতা উন্নয়নের জন্য মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সহায়তা করে যাচ্ছে।

নাছিমা বেগম বলেন, ইতিমধ্যে সারা দেশে ৪৮৮০ কিশোরী ক্লাব স্থাপন করেছে যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেহ-মনে শিশু-কিশোরীর বিকাশ সাধন। নারীর ক্ষমতায়নে সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের পাশপাশি বেসরকারি সংস্থা রুম টু রিডের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রসংশা করেন তিনি।

শব্দপাতা ডট কম/তুষার অপু

আপনার মন্তব্য লিখুন............